সুষম খাবার ও দৈনন্দিন শক্তির রুটিন
আমাদের দৈনন্দিন খাবারে বিশেষ কোনো কঠিন জিনিস খোঁজার দরকার নেই। প্রতিদিনের চেনা খাবারগুলোই সঠিক সময়ে ও পরিমাপে খেলে তা আমাদের সারাদিন কাজের শক্তি জোগায়।
ভাতের সাথে দেশি খাবারের ভারসাম্য
বাংলাদেশে আমাদের প্রধান খাবার ভাত। ভাতের সাথে পর্যাপ্ত ডাল, মৌসুমি শাকসবজি এবং মাছ বা মুরগির সাধারণ তরকারি আমাদের প্রতিদিনের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে যথেষ্ট। অনেকেই মনে করেন স্বাস্থ্যকর খাবার মানেই বিদেশি বা দামি কিছু। আসলে ব্যাপারটি তা নয়।
অফিসে কাজের সময় দুপুরের খাবারে অতিরিক্ত ভারী কিছু খেলে ঘুম আসতে পারে। তাই দুপুরের টিফিনে ভাতের পরিমাণ সামান্য কমিয়ে সবজি বা ডালের পরিমাণ বাড়ানো হলে শরীর অনেক বেশি হালকা ও সতেজ লাগে।
পানি পান ও চা-বিরতি
আমাদের দেশের আবহাওয়া বেশ গরম এবং আর্দ্র। বিশেষ করে বাসে বা রিকশায় যাতায়াতের পর প্রচুর ঘাম হয়। তাই কাজের টেবিলে সবসময় একটি পানির বোতল রাখা ভালো অভ্যাস।
অফিসে আমরা সবাই কমবেশি চা বা কফি খাই। কাজের ফাঁকে চা পানের এই বিরতি মানসিক চাপ কমায়। তবে খেয়াল রাখা ভালো যেন সারা দিনে শুধু চা-কফি পান করেই সাধারণ পানি পানের কথা ভুলে না যাই।
প্রতিদিনের সহজ একটি রুটিন
সময়ের অভাব আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা। তবু চেষ্টা করা যেতে পারে নিচের সাধারণ বিষয়গুলো মেনে চলার:
- সকালের নাস্তা: অফিসে বের হওয়ার তাড়া থাকলেও খালি পেটে বের না হওয়া। অন্তত একটি রুটি বা কলা খেয়ে বের হওয়া।
- দুপুরের খাবার: কাজের চাপ থাকলেও একটা নির্দিষ্ট সময়ে লাঞ্চ সেরে নেওয়া, যেন দীর্ঘক্ষণ পেট খালি না থাকে।
- বাড়ির খাবার: প্রতিদিন বাইরের ফাস্টফুড না খেয়ে, সম্ভব হলে বাসা থেকে একটি ছোট টিফিন বক্সে খাবার নিয়ে আসা। এতে মসলা ও তেলের নিয়ন্ত্রণ নিজের কাছে থাকে।
- রাতের খাবার: অনেক রাতে ভারী খাবার না খেয়ে, চেষ্টা করা যেন ঘুমানোর বেশ কিছুক্ষণ আগেই রাতের খাবার শেষ করা যায়।