হালকা চলাফেরা ও কম বসে থাকার অভ্যাস

আমাদের শহুরে জীবনে সারাদিন কাটে বসে। অফিসে চেয়ারে বসে কাজ, তারপর বাসে বা রিকশায় যানজটে বসে বাড়ি ফেরা। আলাদা করে ব্যায়াম করার সময় বা এনার্জি অনেকেরই থাকে না। কিন্তু দৈনন্দিন রুটিনের মাঝেই ছোট ছোট কিছু নড়াচড়া আমাদের শরীরকে অনেক স্বস্তি দিতে পারে।

"সুস্থতা মানে প্রতিদিন জিমে যাওয়া নয়, বরং সারাদিনের কাজের মাঝে শরীরকে সচল রাখার ছোট ছোট চেষ্টাই হলো আসল বিষয়।"

কাজের মাঝে ছোট বিরতি

টানা দুই ঘণ্টা ল্যাপটপের দিকে তাকিয়ে কাজ করলে ঘাড় ও পিঠে ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক। প্রতি এক ঘণ্টা পর পর অন্তত ২ মিনিটের জন্য উঠে দাঁড়ান। একটু ব্যালকনি থেকে ঘুরে আসুন বা এক গ্লাস পানি খেয়ে আসুন। এই ছোট বিরতি শরীর ও চোখ উভয়কেই আরাম দেয়।

সিঁড়ির ব্যবহার

অফিসে বা বাসায় লিফট থাকলে আমরা স্বভাবতই লিফট ব্যবহার করি। কিন্তু যদি এক বা দুই তলা উঠতে হয়, তবে মাঝে মাঝে সিঁড়ি ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি প্রতিদিনের চলাফেরায় কিছুটা ভিন্নতা আনে।

সন্ধ্যার হাঁটা

সারাদিনের কাজের পর মনকে শান্ত করার একটি ভালো উপায় হলো একটু হাঁটা। বাজার করার সময় রিকশা না নিয়ে হেঁটে যাওয়া অথবা পরিবারের কাউকে সাথে নিয়ে বাড়ির আশেপাশেই ১৫-২০ মিনিট হাঁটা মনকে বেশ প্রফুল্ল করে।

A person taking a walk in an urban park

যানজটের মাঝেও স্বস্তি

ঢাকার ট্রাফিকে দীর্ঘ সময় বসে থাকলে শরীরে এক ধরনের জড়তা তৈরি হয়। বাস থেকে এক স্টপেজ আগে নেমে বাকি পথটুকু হেঁটে যাওয়া যেতে পারে। এই অল্প হাঁটাটুকু সারাদিনের একঘেয়েমি দূর করতে দারুণ কাজ করে। কোনো অতিরিক্ত নিয়ম ছাড়াই এই অভ্যাসগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠতে পারে।

অস্বীকৃতি: এখানে বর্ণিত তথ্যগুলো সাধারণ দৈনন্দিন অভ্যাসের জন্য। এটি কোনো ফিজিওথেরাপি, ব্যায়াম নির্দেশিকা বা চিকিৎসা সংক্রান্ত পরামর্শ নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা থাকলে এই সাধারণ অভ্যাসগুলো পালনের আগেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।