সন্ধ্যার পরের সময়টুকু
অফিস থেকে ফেরার পর আমাদের অনেকেরই অভ্যাস থাকে শুয়ে শুয়ে মোবাইল বা ল্যাপটপের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা। সারাদিন স্ক্রিনে কাজ করার পর চোখের বিশ্রাম খুবই জরুরি। সন্ধ্যার পর পরিবারের সাথে বসে চা খাওয়া বা সারাদিনের গল্প করা আমাদের মানসিক চাপ অনেকটা কমিয়ে দেয়।
রাতের ঘুম ভালো হওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস করা উচিত। অপর্যাপ্ত ঘুম পরের দিনের কাজের উদ্যম নষ্ট করে দেয় এবং মেজাজ খিটখিটে করে।
রাতের শান্তির জন্য ছোট চেকলিস্ট
- ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল বা টিভি বন্ধ রাখা।
- রাতের খাবার খুব ভারী না করা এবং খাওয়ার পরপরই শুয়ে না পড়া।
- ঘর অন্ধকার বা হালকা আলো রাখা, যা দ্রুত ঘুমাতে সাহায্য করে।
- অফিসের কাজের চিন্তা বিছানা পর্যন্ত না নিয়ে আসা।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
অতিরিক্ত কাজের চাপে কীভাবে রুটিন ঠিক রাখব?
কাজের চাপ থাকলে সবকিছু শতভাগ ঠিক রাখা সম্ভব হয় না। তবে চেষ্টা করুন অন্তত রাতে ঘুমানোর সময়টা নির্দিষ্ট রাখতে। ঘুম ঠিক থাকলে পরের দিন কাজের চাপ সামলানো সহজ হয়।
মোবাইলের স্ক্রিন কি ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়?
হ্যাঁ, স্ক্রিনের নীল আলো মস্তিষ্কে এমন সংকেত পাঠায় যা ঘুমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। তাই ঘুমানোর আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা ভালো অভ্যাস।
ছুটির দিনে কি রুটিন ভাঙা যায়?
ছুটির দিন মানেই বিশ্রামের দিন। তবে ঘুমের সময়সূচি খুব বেশি এদিক-সেদিক করলে সপ্তাহের শুরুতে আবার রুটিনে ফিরতে কষ্ট হতে পারে। কিছুটা ছাড় দেওয়া গেলেও বেসিক রুটিন ধরে রাখা ভালো।
গুরুত্বপূর্ণ: এই ওয়েবসাইটে থাকা তথ্য সাধারণ জীবনধারার অংশ। এটি মানসিক অবসাদ, ইনসমনিয়া বা অন্য কোনো স্বাস্থ্য সমস্যার ক্লিনিক্যাল সমাধান বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। গুরুতর কোনো শারীরিক বা মানসিক সমস্যার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।